স্পেনের জনপ্রিয় ৬৮ বছর বয়সি টিভি সেলিব্রিটি Ana Obregón যুক্তরাষ্ট্রে সারোগেসির মাধ্যমে একটি শিশুর জন্মের খবর প্রকাশের পর দেশজুড়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রথমে শিশুটিকে নিজের কন্যা বলে ধারণা তৈরি হলেও এক সপ্তাহ পর তিনি জানান, নবজাতকটি তাঁর মেয়ে নয়; বরং ২০২০ সালে ক্যানসারে মারা যাওয়া তাঁর ছেলে Aless Lequio-এর সন্তান—অর্থাৎ তাঁর নাতনি।
মিয়ামিতে অবস্থানকালে স্প্যানিশ ম্যাগাজিন ¡Hola!-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনা ওব্রেগোন বলেন, এই মেয়েটি আমার মেয়ে নয়, আমার নাতনি।” শিশুটির নাম রাখা হয়েছে আনা সান্দ্রা। তাঁর দাবি, মৃত্যুর আগে নিউইয়র্কে আলেসের শুক্রাণু সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছিল। মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগে ছেলে নিজের সন্তান পৃথিবীতে আনার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। “এই শিশুটি আমার জীবনের মিশন। এটি ছিল আলেসের শেষ ইচ্ছা, বলেন অভিনেত্রী।
জানা গেছে, ফ্লোরিডায় বসবাসরত কিউবান বংশোদ্ভূত এক নারী সারোগেট মা হিসেবে শিশুটিকে গর্ভে ধারণ করেন। স্পেনে সারোগেসি আইনত নিষিদ্ধ হলেও বিদেশে জন্ম নেওয়া শিশুকে দত্তক নেওয়া বৈধ। এই আইনি পথেই যুক্তরাষ্ট্রে সারোগেসির ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আনা ওব্রেগোন জানান, স্প্যানিশ কনসুলেটে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষে তিনি মাদ্রিদে ফিরবেন। ভবিষ্যতে নাতনির জন্য ভাই বা বোন আনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্পেনের বামপন্থী সরকার ও নারীবাদী সংগঠনগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দেশটির সমতা মন্ত্রী Irene Montero সারোগেসিকে “নারীর ওপর সহিংসতার একটি রূপ” হিসেবে আখ্যা দেন। তাঁর মতে, অর্থের বিনিময়ে নারীর শরীরকে প্রজননের জন্য ব্যবহার করা মানবাধিকারের পরিপন্থী। তবে আনা ওব্রেগোন সমালোচনাকে “অযৌক্তিক” উল্লেখ করে বলেন, সারোগেসি প্রজননের একটি পদ্ধতি, যা বিশ্বের বহু দেশে বৈধ।
আইনগত দিক থেকেও বিষয়টি জটিল। স্পেনের সিভিল কোডের ১৭৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কোনও বংশধরকে দত্তক নেওয়া যায় না। ফলে ঠাকুমা হিসেবে নাতনিকে দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি প্রশ্ন উঠতে পারে। যদিও আনা ওব্রেগোন দাবি করেছেন, আইন অনুযায়ী তিনিই শিশুটির মা-যদিও জৈবিকভাবে তিনি ঠাকুমা। স্পেনে মৃত ব্যক্তির শুক্রাণু ব্যবহার করে সহায়ক প্রজনন অনুমোদিত হলেও তা সাধারণত মৃত্যুর ১২ মাসের মধ্যে এবং বিধবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
এ ঘটনাকে ঘিরে সমাজতাত্ত্বিক ও দার্শনিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক দর্শন বিশ্লেষক Gonzalo Velasco বলেন, আইনগতভাবে বিষয়টি অবৈধ নাও হতে পারে, তবে এটি গুরুতর নৈতিক সংকট তৈরি করেছে। তাঁর মতে, মৃত ছেলের ইচ্ছার ব্যাখ্যা নিজেই দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। “কোনও সন্তানই তার বাবা-মায়ের সম্পত্তি নয়, এমনকি মৃত সন্তানও নয়, মন্তব্য করেন তিনি।
আলেস লেকিওর বাবা ও আনা ওব্রেগোনের প্রাক্তন সঙ্গী Alessandro Lequio এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ব্যক্তিগত শোক, আধুনিক প্রজনন প্রযুক্তি, নারী অধিকার ও আইনের সীমারেখা-সব মিলিয়ে আনা ওব্রেগোনের সিদ্ধান্ত স্পেনে এক গভীর সামাজিক ও নৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই বিতর্কের প্রভাব আগামী দিনেও দেশটির রাজনীতি ও সমাজে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
মিয়ামিতে অবস্থানকালে স্প্যানিশ ম্যাগাজিন ¡Hola!-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনা ওব্রেগোন বলেন, এই মেয়েটি আমার মেয়ে নয়, আমার নাতনি।” শিশুটির নাম রাখা হয়েছে আনা সান্দ্রা। তাঁর দাবি, মৃত্যুর আগে নিউইয়র্কে আলেসের শুক্রাণু সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছিল। মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগে ছেলে নিজের সন্তান পৃথিবীতে আনার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। “এই শিশুটি আমার জীবনের মিশন। এটি ছিল আলেসের শেষ ইচ্ছা, বলেন অভিনেত্রী।
জানা গেছে, ফ্লোরিডায় বসবাসরত কিউবান বংশোদ্ভূত এক নারী সারোগেট মা হিসেবে শিশুটিকে গর্ভে ধারণ করেন। স্পেনে সারোগেসি আইনত নিষিদ্ধ হলেও বিদেশে জন্ম নেওয়া শিশুকে দত্তক নেওয়া বৈধ। এই আইনি পথেই যুক্তরাষ্ট্রে সারোগেসির ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আনা ওব্রেগোন জানান, স্প্যানিশ কনসুলেটে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষে তিনি মাদ্রিদে ফিরবেন। ভবিষ্যতে নাতনির জন্য ভাই বা বোন আনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্পেনের বামপন্থী সরকার ও নারীবাদী সংগঠনগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দেশটির সমতা মন্ত্রী Irene Montero সারোগেসিকে “নারীর ওপর সহিংসতার একটি রূপ” হিসেবে আখ্যা দেন। তাঁর মতে, অর্থের বিনিময়ে নারীর শরীরকে প্রজননের জন্য ব্যবহার করা মানবাধিকারের পরিপন্থী। তবে আনা ওব্রেগোন সমালোচনাকে “অযৌক্তিক” উল্লেখ করে বলেন, সারোগেসি প্রজননের একটি পদ্ধতি, যা বিশ্বের বহু দেশে বৈধ।
আইনগত দিক থেকেও বিষয়টি জটিল। স্পেনের সিভিল কোডের ১৭৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কোনও বংশধরকে দত্তক নেওয়া যায় না। ফলে ঠাকুমা হিসেবে নাতনিকে দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি প্রশ্ন উঠতে পারে। যদিও আনা ওব্রেগোন দাবি করেছেন, আইন অনুযায়ী তিনিই শিশুটির মা-যদিও জৈবিকভাবে তিনি ঠাকুমা। স্পেনে মৃত ব্যক্তির শুক্রাণু ব্যবহার করে সহায়ক প্রজনন অনুমোদিত হলেও তা সাধারণত মৃত্যুর ১২ মাসের মধ্যে এবং বিধবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
এ ঘটনাকে ঘিরে সমাজতাত্ত্বিক ও দার্শনিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক দর্শন বিশ্লেষক Gonzalo Velasco বলেন, আইনগতভাবে বিষয়টি অবৈধ নাও হতে পারে, তবে এটি গুরুতর নৈতিক সংকট তৈরি করেছে। তাঁর মতে, মৃত ছেলের ইচ্ছার ব্যাখ্যা নিজেই দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। “কোনও সন্তানই তার বাবা-মায়ের সম্পত্তি নয়, এমনকি মৃত সন্তানও নয়, মন্তব্য করেন তিনি।
আলেস লেকিওর বাবা ও আনা ওব্রেগোনের প্রাক্তন সঙ্গী Alessandro Lequio এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ব্যক্তিগত শোক, আধুনিক প্রজনন প্রযুক্তি, নারী অধিকার ও আইনের সীমারেখা-সব মিলিয়ে আনা ওব্রেগোনের সিদ্ধান্ত স্পেনে এক গভীর সামাজিক ও নৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই বিতর্কের প্রভাব আগামী দিনেও দেশটির রাজনীতি ও সমাজে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
আন্তজার্তিক ডেস্ক